1. Sohelhota@gmail.com : জি এম ফয়সাল : জি এম ফয়সাল
  2. helalnc22@gmail.com : Helal Uddin : Helal Uddin
  3. daynikbanglarkota@gmail.com : M.O. Telecom : M.O. Telecom
  4. rana016482@gmail.com : মোঃ মাসুদ রানা : মোঃ মাসুদ রানা
  5. miraz55577@gmail.com : মোঃ মিরাজ হোসেন : মোঃ মিরাজ হোসেন
  6. nabsar775@gmail.com : Nurul Absar : Nurul Absar
  7. mdosmank143@yahoo.com : Mohammad Osman : Mohammad Osman
  8. mdosmank143@gmail.com : মোহাম্মদ ওসমান : মোহাম্মদ ওসমান
মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৩২ পূর্বাহ্ন

গল্পঃ মায়া পর্বঃ ২০লেখক,দেলোয়ার হোসেন।

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময়ঃ রবিবার, ৮ আগস্ট, ২০২১
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

গল্পঃ মায়া
পর্বঃ ২০
আচমকা খাট হতে নেমে ঘড়িটির পাশেই প্যাকেটটি খুলে দেখলো, এতো রহস্য কেনো! প্যাকেটটি খুলে চেকটি হাতে নিয়ে ভালো করে দেখলো তাতে সাইন করা। চেকটির ডিউ ডেট রয়েছে, রাহুল চিন্তিত হলো বটে। এই চেক নিয়ে ব্যাংকে ফোন দেওয়া যাক বন্ধু আজমল ব্যাংকের ম্যানেজার। তাকে ফোন দিয়ে দেখলো, আর আজমল বললো ঠিক আছে এখনি একবার আয়তো। রাহুল পুরো প্যাকেটসমেদ আজমলের সাথে দেখা করলো। আজমল, দেখি চেকটি, রাহুল চেকটি দেখালো, চেকে পঞ্চাশ কোটি লেখা, তাও কয়েক মাস আগের, রাহুল এই চেকটি তো বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজ্বী রহিম উদ্দিন শেখের। এই টাকাগুলো কি তোলা যাবে, যাবে তবে শাখায় নয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজারের সাথে কথা বলি আগে কি করা যায়। রাহুল এতো কোটি কোটি টাকার মালিক বেওয়ারিশ লাশের মতো রাস্তায় পড়ে রয়েছে। আমি তার দাপন কাপনের ব্যবস্থা করি, তাই উসিয়ত অনুযায়ী চেক, ঘড়ি, চেইন এগুলো আমার হাতে আসে, আশ্চর্য জাদুকরী ব্যাপার আমার কাছে এসব আসার পরপর আমার অবস্থা খুবই ভালো হতে লাগলো, আজমল দেখতো এই ঘড়িটি কথা বলা ঘড়ি এঠার রহস্য কি, আজমল দেখি তো আজমল ঘড়িতে হাত দেওয়ার সাথে সাথে বলল, You are paithfull friend of….. আজমল চোখ বড় বড় করে দেখলো আর এর অর্থ বুঝতে বাকি রইলোনা তার। সে বললো এই রকম ঘড়ি প্রথম ব্যবহার করেছিলো সম্ভবত ১৫৬০ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট জর্জ ওয়ারিয়র্স। আর ভারত বর্ষের মোঘল সম্রাট সম্রাট শাহাজাহান, এই ঘড়ি গ্রীস হতে ক্রয় করে আনা, উনার শখ ছিলো পুরাতন ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা তার মধ্যে অন্যতম ছিলো ঘড়ি, যাই হোক প্রচুর তথ্য সংগ্রহ করতে হবে এই ঘড়ি কোথা হতে এলো, আমি চেকটির ব্যাপারে কথা বলেছি স্যারের সাথে উনি বললেন টাকা তুলতে কোন অসুবিধা হবেনা। রাহুল বলল এতো টাকা দিয়ে কি করবো, আজমল এটা তোর ব্যাপার আমি ভাই চাকরী করি আমার কাজই তো তথ্য দিয়ে সাহায্য করা। রাহুল বললো তাহলে কখন নাগাদ তুলতে পারবো! আজমল চাইলে আগামী রবিবারে তুলতে পারবে। রাহুল বিদায় নিয়ে বের হয়ে এলো।
রাহুল মনে মনে চিন্তায় পড়ে গেলো এতো টাকা তাও একটি চেকে! এতো টাকা দিয়ে কি করবো, যদি টাকা গুলো পাই তাহলে গ্রামে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ সহ প্যাগোডা, ক্যায়াং ভালো কাজেই ব্যবহার করতে হবে। রাহুল আজ বেশ সেজেগুজে বের হলো বাহাদুর বেপারীর মেয়েটিকে দেখতে যাবে সাথে আসাদ, রহমত আলী, মা আরুজমন বিবি, বাহাদুর বেপারীর বাড়ির সামনে এসে রহমত আলী অবাক এতো বিশাল বাড়ি, এতো সুন্দর! রাহুলেরা ভেতরে প্রবেশ করতেই একটি মেয়ে দরজা খুলে দিলো, যেনো সাক্ষাৎ পরী, রহমত আলী, আরুজমন আসাদ সবাই খুবি বিষ্মিত হলো, ঘরের ভেতরে যেনো বেহেশতের মতো চারদিকে এতো সুন্দর! সবার পছন্দ হলো মেয়েটিকে, মেয়েটির নাম সাদিয়া আফরিন, ডাক নাম স্বাগতা। আগামী মাসের পনেরো তারিখ বিয়ে, সকলে মিলে মেয়ে দেখে চলে আসলো, আর রাহুলের মনে আসলে মেয়ে দেখা, খাওয়া দাওয়া কিছুই ভালো লাগছিলো না।
আজ রবিবার রাহুলকে আজমল ফোন দিলো, রাহুল আজমলকে নিয়ে ব্যাংকে গেলো এবং ডেপুটি ম্যানেজারের সাথে কথা বললো। ম্যানেজার বললো পেছনে যার সাইন রয়েছে। তাই কোন অসুবিধা নাই তবে শর্ত হচ্ছে তার সমস্ত জমানো টাকা এই একটি চেকে উল্লেখ রয়েছে । অতএব উনার কোন রেফারেন্স রয়েছে যাতে আমরা কোনো অসুবিধায় না পরি মতো, রাহুল তাড়াতাড়ি ঘড়িটিতে হাত দেওয়ার সাথে সাথে ঘড়িটা কথা বলছে ও স্কীনে ছবি সংবলিত স্বীকারক্তি আছে দেখে রাহুল আজ আবার বিষ্মিত হলো, আজমল ঘড়িটির স্বীকারোক্তি দেখাতেই ম্যানেজার বিষ্মিত হয়ে ঘড়িটি হাতে নিয়ে কম্পিউটারে এডজাস্ট করে দেখলো সত্যি এতো দামী ঘড়ি এই প্রথম দেখলো মনে হলো তবে চেহারায় ভেসে উঠলেও মুখে কিছু না বলে বললো সবতো ঠিক আছে। নিন টাকাগুলো ক্যাশিয়ার সাহেবের কাছে গিয়ে তুলতে পারবেন। রাহুল টাকাগুলো তুলতে গিয়ে দেখলো এতো টাকা কি করা যায়, তাই সে টাকাগুলো বস্তায় ভরে গাড়িতে তুললো। সাথে আজমল, রাহুল আজমল বলতো এতো টাকা বাসায় নিয়ে আমি কি করবো! আজমল এক কাজ করো তোমার একাউন্টে পরিবর্তন করলে হয়, রাহুল গাড়ি ঘুরিয়ে ব্যাংকে গিয়ে টাকা গুলো নিজের একাউন্টে সেভিংস করে।

আজ রাহুলের বিয়ে, স্বাগতার সাথে, আগে বলি স্বাগতা ছিলো বাহাদুর বেপারীর একমাত্র মেয়ে, সে খুব মায়াবী চেহারার মেয়ে আর খুব জেদী ও একগুঁয়ে প্রকৃতির। তার একটি রোগ রয়েছে সে সারারাত ঘুমুতে পারেনা, ঘুমুতে গেলেই অদ্ভুত অদ্ভুত স্বপ্ন দেখে। এই কথাগুলো রাহুল ও তার পরিবারকে জানানো হয়নি, বাসর ঘরে স্বাগতা অদ্ভুত আচরন করে বসলো, সে খাটে না বসে প্লোরে বসে আছে।

লেখাটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো লেখা
© ২০২১ বাংলার কথা । এম.ও. টেলিকম কর্তৃক সর্বস্বত্ত্ব স্বত্ত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized BY LatestNews